অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনুসের ১ হাজার ১১১ কোটি ৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ১১২ টাকা কর ফাঁকি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহম্মদ ইউনুসের ১ হাজার ১১১ কোটি ৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ১১২ টাকা কর ফাঁকি।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গতবছর ৫ই আগষ্টে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের মুখে তৎকালীন সরকারের পতন হলে, ৮ই আগষ্ট ক্ষমতার মসনদে বসেন ড. মুহম্মদ ইউনুস।অবশ্য ড.মুহম্মদ ইউনুস পরবর্তীতে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের একটি অনুষ্ঠানে পুরো কোটা আন্দোলনকে “ম্যাটিক্যুলাসলি ডিজাইনড” বলে আখ্যা দেন।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ড.মুহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে একটা রায় হওয়ার কথা ছিল।যেখানে ৬৬৬ কোটি টাকা তার আয়কর প্রদান করার কথা ছিল।যে টাকাটা সে গ্রামীন টেলিকম থেকে গ্রামীন কল্যানে এনেছিল এবং গ্রামীন কল্যান সেই টাকাটা মেরে দিয়েছিল যেটার চেয়ারম্যান ড. মুহম্মদ ইউনুস।কিন্তু এই ৫ই আগষ্টের পর ক্ষমতা গ্রহনের পর তার ৬৬৬ কোটি টাকা নিজের ক্ষমতার বলে মওকুফ করিয়ে নেন ড. মুহম্মদ ইউনুস।
এরপরে তার আরেকটি মামলা চলমান ছিল যেটার ৩৮ টি রেফারেন্স মামলা ছিলো যেখানে ১ হাজার ১১১ কোটি ৭ লক্ষ ৪৯ হাজার ১১২ টাকার কর ফাকির মামলা চলছিল।
পরবর্তী সময় তার রিট মামলা যেগুলো ছিলো সেটির একটি রিটে আয়কর ফাকির পরিমান ছিলো ৬৭১ কোটি ১১ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩২২ টাকা।
-গ্রামীন টেলিকম ট্রাষ্ট বিবাদী কর কমিশনারের কর অঞ্চল ৯ এর সেখানে যে মামলা হয়েছিল সেইখানে আয়কর ফাকি ছিলো ২০৯ কোটি ৯৮ লক্ষ ৫৭ হাজার ৭৩৮ টাকা।
-গ্রামীন শক্তি এখানে সে কর ফাকি দিয়েছে ৫৭ লক্ষ ২৫ হাজার ১৯০ টাকা।
-গ্রামীন টেলিকম যেখানে বিবাদী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সেখানে তার আয়কর দেয়ার কথা ছিলো ১২ কোটি ৪৬ লক্ষ ৭২ হাজার ৬০৮ টাকা।
-গ্রামীন কল্যান যেখানে বিবাদী কর কমিশনার সেটা আরেকটা মামলা এখানে ছিলো ৬৭ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩২৬ টাকা।
-এরপর আবার গ্রামীন টেলিকম কর অঞ্চল-১৪ মামলা নম্বর-০১ এইখানে তার কর ফাকির পরিমান ছিল ৩০ লক্ষ ৩৬৭ টাকা।
-গ্রামীন ট্রাষ্টের আরেকটি মামলা ছিলো কর ফাকি দেওয়ার এইখানে তার কর ফাকি ছিলো ১ কোটি ৭ লক্ষ ২২ হাজার টাকা।
-গ্রামীন উদ্যোগের কর ফাকির পরিমান ৬৩ লক্ষ ২৬ হাজার ২৭০ টাকা।
-গ্রামীন মৎস্য ও পশুসম্পদ ফাউন্ডেশন যেখানে বিবাদী কর কমিশনার সেখানে তার কর ফাকি ছিলো ১ কোটি ৮২ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৬৩ টাকা।
-গ্রামীন সামগ্রী বিবাদী কর কমিশনার সেখানে কর ফাকি ছিলো ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ২৭৪ টাকা।
-গ্রামীন ডানন ফুড লিমিটেড এখানে তার আয়কর ফাকির পরিমান ছিলো ১৪ হাজার ২৩০ টাকা।
-গ্রামীন বাইটেক লিমিটেড বিবাদী কর কমিশনার এখানে তার কর ফাকির পরিমান ছিলো ৮ লক্ষ ১৮ হাজার ৪৬৭ টাকা।
-গ্রামীন শক্তি এটারও বিবাদী কর কমিশনার এখানে কর ফাকি দিয়েছিলো ৪৭ কোটি ৮৫ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা।
-গ্রামীন হেলথ কেয়ার সার্ভিস লিমিটেড এখানে আয়কর ফাকির পরিমান ১৯ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৮৫ টাকা।
-গ্রামীন ভেউলিয়া ওয়াটার লিমিটেড বিবাদী কর কমিশনার ।এখানে মামলা নম্বর-০১,এখানে কর ফাকির পরিমান ১ কোটি ৬৯ লক্ষ ৯ হাজার ৫২৩ টাকা।
এছাড়া তার আরও রাজস্ব যেটা আছে সেখান থেকে যদি ২টা পার্ট করা হয় একটির মামলা নম্বর হচ্ছে ১০৯/২০২৫ যেখানে ছিলো ৯ কোটি ৯৫ লক্ষ ২৮ হাজার ৫৮৮ টাকা।আরেকটা মামলা একই রেফারেন্সে ১০৯/২০১৫ এটা হচ্ছে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৬৭ হাজার ১০ টাকা।আরেকটা রেফারেন্স একই সাথে যুক্ত করা হয়েছে সেটার পরিমান ১ কোটি ২৭ লক্ষ ৬৭ হাজার ১০ টাকা।তিনটি মামলার টোটাল মিলে ১২ কোটি ৪৬ লক্ষ ৭২ হাজার ৬০৮ টাকা।এছাড়াও আরও ৪০ টি কর ফাকির মামলা ড. মুহম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে আছে।
যতগুলো কোম্পানির কর ফাকির তথ্য এখানে দেয়া হয়েছে,এই সবগুলো কোম্পানির চেয়ারম্যান প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহম্মদ ইউনুস।
এছাড়াও বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায়, ড.মুহম্মদ ইউনুস প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর ম্যান পাওয়ার ব্যবসা,ডিজিটাল ওয়ালেটের ব্যবসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসা ভাগিয়ে নিয়েছেন

জাতীয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *